উইন্ডোজ ১০ মোবাইল হটস্পট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে
আপনার পিসিতে কি উইন্ডোজ ১০ মোবাইল হটস্পট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তাহলে প্রথমে আপনার
পিসিতে স্টার্ট মেনুতে যান। তারপর সেখানে সেটিংসে যান বা সার্চবারে, সার্চ করুন
ডিভাইস ম্যানেজার, সেখানে লেখা আছে নেটওয়ার্ক এডাপ্টার বা ওয়াইফাই অ্যাডাপ্টার
ওইখানে যদি আপনার ওয়াইফাই এডাপ্টার থেকে থাকে তাহলে আপনি সংযোগ দিতে পারবেন।

তা না হলে আপনি ওয়াইফাই সংযোগ দিতে পারবেন না সে ক্ষেত্রে আপনাকে ব্যবহার করতে
হবে windows ১০ এ ওয়াইফাই এর কানেকশন টারভিন ভাবে সংযোগ দেওয়া যায় না সেই
ক্ষেত্রে আপনাকে ইউএসবি কেবল ব্যবহার করতে হবে তাহলে খুব সহজেই মোবাইল হটস্পট
চালু করতে পারবেন।
পেজ সূচিপত্র:উইন্ডোজ ১০ মোবাইল হটস্পট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে
- উইন্ডোজ ১০ মোবাইল হটস্পট বন্ধ হয়ে যাচ্ছ
- মোবাইল হটস্পট নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে করনীয়
- নেটওয়ার্ক এডাপ্টার সমস্যার সমাধান করুন
- উইন্ডোজ আপডেট না থাকার কারণে হটস্পট বন্ধ
- ভিপিএন চালু থাকার কারণে হটস্পট বন্ধ
- উইন্ডোজ ১০ মোবাইল হটস্পট তারের মাধ্যমে সংযোগের নিয়ম
- থার্ড পার্টি সফটাওয়ারের কারণে হটস্পট বন্ধ হলে করণিয়
- উইন্ডোজ ১০ এই কেন এই সমস্যা হয়ে থাকে জানুন
- উইন্ডোজ ১০ আপডেট দেওয়ার নিয়ম
- মন্তব্য:উইন্ডোজ ১০ মোবাইল হটস্পট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে
উইন্ডোজ ১০ মোবাইল হটস্পট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সমধান
উইন্ডোজ ১০ মোবাইল হটস্পট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বা যদি বন্ধ হয়ে থাকে তাহলে আপনার
প্রথমত স্টার্ট মেনুতে যেতে হবে। তারপরে সার্চবারে লিখতে হবে (ডিভাইস ম্যানেজার),
ডিভাইস ম্যানেজারের ভিতরে যাওয়ার পরে আপনাকে দেখতে হবে ওয়াইফাই অ্যাডাপ্টার লেখা
আছে কিনা। যদি না থাকে বুঝে নিতে হবে আপনার উইন্ডোজ ১০ পিসিতে আপনার ওয়াইফাই
কার্ডের সংযোগ নাই। যদি থাকতো তাহলে লেখা থাকতো নেটওয়ার্ক অ্যাডপ্টারের ওইখানে লেখা
থাকতো ওয়াইফাই অ্যাডপ্টার।
এর জন্য প্রথমত আপনার করণীয় তারবিহীন ওয়াইফাই এডাপ্টার লাগাতে হবে আর তা না হলে
ইউএসবি কেবল ব্যবহার করতে হবে। আর তাছাড়া আপনার আরো সমস্যা হতে পারে যেমন
ব্যাটারি সার্ভার পাওয়ার সেভিং নিশ্চিত করতে হবে।পাওয়ার সেভিং বন্ধ হতে পারে
কারণ এটি অনেক ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় থাকলে হটস্পট বন্ধ হয়ে যেতে যায়। তারপর
ডিভাইস ম্যানেজার এ গিয়ে নেটওয়ার্ক এডপটারের ক্লিক করতে হবে।
এবং আপনাকে আপনার ড্রাইভার আপডেট করতে হবে অনেক সময় আপডেট না থাকার কারণে সংযোগ
বিচ্ছিন্ন হতে পারে। তাতেও যদি না হয় তাহলে আপনার নেটওয়ার্কের রিসেট দিতে হবে।
সে ক্ষেত্রে প্রথমে সেটিংস এ যেতে হবে তারপর নেটওয়ার্ক এন্ড ইন্টারনেট তারপর
স্ট্যাটাস তারপর নেটওয়ার্ক রিসেট গিয়ে সেটিং রিসেট দিতে হবে। তাহলে সেটিংস এর
যদি কোন প্রবলেম থাকে সেই ক্ষেত্রে ঠিক হয়ে যেতে পারে।
অনেক খেতে আপনার ওয়াইফাই এর পাসওয়ার্ড এর ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে সে ক্ষেত্রে
আপনি সিকিউরিটি ওপেন করে চেক করুন বা নতুন পাসওয়ার্ড দিয়ে সংযোগ দেয়ার চেষ্টা
করুন। তবে সবচাইতে সঠিক সমাধান বা সহজ সমাধান যদি কোনোভাবেই ওয়াইফাই হটস্পট কাজ
না করে, তবে মোবাইল থেকে ইউএসবি কেবল এর মাধ্যমে হটস্পট সংযোগ দেওয়ার চেষ্টা
করবেন।
ইউএসবি ক্যাবলের মাধ্যমে মোবাইল থেকে হটস্পট নেয়ার পদ্ধতি হলো:প্রথমে পিসির
সাথে মোবাইলের ইউএসবি কেবল এর মাধ্যমে সংযোগ দিতে হবে, তারপর মোবাইলে হটস্পট এ
গিয়ে থাইরয়েড ইউএসবি অন করে দিতে হবে তাহলে অটোমেটিক আপনার পিসিতে ওয়াইফাই সংযোগ
চালু হয়ে যাবে। আর পিসিতে স্টার্ট মেনুতে যেতে হবে গিয়ে সেটিংস ক্লিক করতে হবে
তারপর ইন্টারনেট অ্যান্ড নেটওয়ার্ক এ ক্লিক করতে হবে তারপর ইথারনেট তারপর পাবলিক
নেটওয়ার্ক অন করতে হবে তাহলে অটোমেটিক সংযোগ পাবে।
মোবাইল হটস্পট নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে করনীয়
প্রযুক্তি আপডেট হওয়ার কারণে ইন্টারনেট আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে।
উইন্ডোজ ১০ মোবাইল হটস্পট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এর কারণ মোবাইল হটস্পট অনেক সময় নিজে
থেকেই বন্ধ হয়ে যায় এর প্রধান কারণ হলো এটি অতিরিক্ত চাপ নিতে পারেনা। অনেক
সময় ভিপিএন চালু থাকার কারণে ও এই সমস্যাটি হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে আপনাকে vpn
আনইন্সটল করতে হবে। এক্ষেত্রে ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এ সকল সমস্যার
সমাধান আমরা আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করতে যাচ্ছি।
আপনারা ধাপে ধাপে আমাদের আর্টিকেলটি অনুসরণ করুন তাহলে প্রত্যেকটা সমস্যার সমাধান
পেয়ে যাবেন এবং সেই সাথে আপনি আপনার উইন্ডোজ ১০ মোবাইল হটস্পট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে
সমস্যাটি সামনের দিকে যাতে আর আপনার সমস্যার কারণ হয়ে না দাঁড়ায় সেজন্য আমরা
আপনাদেরকে সঠিক সমাধানটি উপস্থাপন করতে যাচ্ছি। মোবাইল স্লো কাজ করার জন্য
আপনাদেরকে প্রথমত প্রত্যেকটি সফটওয়্যার সব সময় আপডেট রাখতে হবে বা আপডেট চাইলে
দিতে হবে।
অনেক স্মার্ট ফোন বা ল্যাপটপে ব্যাটারি সার্ভার বা পাওয়ার সেভিং মোড চালু থাকে।
সে ক্ষেত্রে ব্যাটারি বাঁচানোর জন্য হটস্পট স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
এজন্য ব্যাটারি সার্ভার বা পাওয়ার সার্ভার বন্ধ করতে হবে এবং চার্জে লাগিয়ে
হটস্পট ব্যবহার করতে হবে। তাছাড়া মোবাইল কনফিগারেশন অনুযায়ী কিছু কিছু ডিভাইসে
এমন সেটিংস থাকে যে নির্দিষ্ট সময় কানেক্ট না থাকলে হটস্পট অটোমেটিক ভাবে বন্ধ
হয়ে যায়।
সে ক্ষেত্রে আপনি সেটিংসে গিয়ে মোবাইল হটস্পটে গিয়ে ট্রাউন অফ হটস্পট
অটোমেকাটালি বন্ধ করতে হবে তাহলে আর এই সমস্যাটি হবে না। তাছাড়া আপনার ডিভাইসটি
যদি অতিরিক্ত গরম হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে কভার খুলে ব্যবহার করতে হবে। এবং কিছু
সময় বিরতি দিয়ে ব্যবহার করতে হবে, তাছাড়া রৌদ্র বা তাপমাত্রা বেশি এমন জায়গা
থেকে মোবাইল ফোনটি বা আপনার ডিভাইসটি ব্যবহার থেকে দূরে থাকুন। দুর্বল মোবাইলের
ক্ষেত্রে ইন্টারনেট সংযোগ অনেক সময় স্লো কাজ করে।
এক্ষেত্রে হটস্পট নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে এই ধরনের মোবাইল বা
ডিভাইস আপনাকে ভালো এরিয়ায় ব্যবহার করতে হবে। আপনার ডিভাইসে যদি থার্ড পার্টি
অ্যাপস বা ভিপিএন চালু থাকে তাহলে সবগুলা vpn আনইন্সটল করে দিতে হবে। এবং মোবাইল
ফোনটি পুনরায় রিসেট দিতে হবে সে ক্ষেত্রে আপনার মোবাইল দ্রুত কাজ করার সম্ভাবনা
রয়েছে।
নেটওয়ার্ক এডাপ্টার সমস্যার সমাধান করুন
আপনার ডিভাইসটিতে যদি নেটওয়ার্ক এডপটার সমস্যা হয়ে থাকে সেই ক্ষেত্রে আমরা
আপনাকে দিচ্ছি আর্টিকেল এর মাধ্যমে ধাপে ধাপে নেটওয়ার্ক অ্যাডপ্টারের সমস্যার
সমাধান। আপনার ডিভাইসটি উইন্ডোজ ১০ মোবাইল হটস্পট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এই সকল সব
ধরনের সমস্যার সমাধান দিচ্ছি। তাছাড়া আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপে এ ধরনের
কানেকশন হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যায় সকল সমস্যার সমাধান আমরা আপনাদেরকে সহজভাবে
আর্টিকেলের মাধ্যমে উপস্থাপন করতে যাচ্ছি।
আপনার ডিভাইসের নেটওয়ার্ক অ্যাডপ্টারের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয়ে
থাকে যেমন-
- ওয়াইফাই অপশোন যায় না
- ইন্টারনেটের কানেকশন হয় না
- নেটওয়ার্ক অ্যাডাপ্টার মিসিং লেখা আসে
- বারবার কানেকশন ডিসকানেক্ট হয়ে যায়
এ সকল সমস্যা হয়ে থাকে তখন যখন আপনার ড্রাইভার টি নষ্ট হয়ে যায় বা উইন্ডোজ
আপডেট করা থাকে না বা আপনার ডিভাইসটিতে ভাইরাসের আক্রমণ হওয়া হার্ডওয়ারের
ত্রুটিজনিত কারণ বা ভুল নেটওয়ার্ক সংযোগ দেওয়া। তবে এ সকল সমস্যাটি সাধারণত
ভিপিএন এর কারণে বেশিরভাগ হয়ে থাকে এজন্য প্রয়োজন ছাড়া ভিপিএন ইনস্টল করা যাবে
না বা ইন্সটল করা থাকলে আনইন্সটল করতে হবে।
সমাধান: প্রথমে আপনার কম্পিউটারটি রিস্টার্ট করতে হবে। যদি কাজ না করে তাহলে
আপনার নেটওয়ার্ক অ্যাডপ্টারটি ইনঅ্যাবল করুন যদি আপনার নেটওয়ার্ক এডাপ্টারটি
ডিজাবল হয়ে থাকে তাহলে। তারপর আপনার ডিভাইস ম্যানেজার নেটওয়ার্ক ঠিক আছে কিনা
সেটা চেক করুন আপনার নেটওয়ার্ক ড্রাইভারটি আপডেট করুন, আপনার নেটওয়ার্ক
ড্রাইভার যদি কোন কারনে ত্রুটিযুক্ত হয় সেই ক্ষেত্রে নতুন করে ইন্সটল করে নিতে
পারেন।
আপনার কম্পিউটারের হার্ডওয়ার সমস্যা আছে কিনা পরীক্ষা করে নিন তবে সবচাইতে সহজ
পদ্ধতি ইউএসবি ক্যাবল এর মাধ্যমে ওয়াইফাই অ্যাডাপ্টার ব্যবহার করা। নেটওয়ার্ক
অ্যাডপ্টার সমস্যাটি খুবই সাধারণ একটি সমস্যা তবে অনেকের কাছে কঠিন মনে হতে পারে
বা যাদের কাছে এইসব সেটিংস অজানা তাদের কাছে অনেক কঠিন মনে হতে পারে।
উইন্ডোজ আপডেট না থাকার কারণে হটস্পট বন্ধ
আপনার কম্পিউটারের উইন্ডোজ ১০ মোবাইল হটস্পট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সেক্ষেত্রে উইন্ডোজ
আপডেট না থাকার কারণে হটস্পট বন্ধ হতে পারে। সেজন্য আমরা আপনাদেরকে সঠিক গাইড
লাইনের মাধ্যমে সমস্যাটির সমাধান করে দিচ্ছি প্রথমত আপডেট করতে হলে স্টার্ট বাটনে
গিয়ে, সেটিংস এ ক্লিক করুন, তারপর নিচে স্ক্রল করুন। দেখবেন আপডেট এন্ড
সিকিউরিটি লেখা আছে, সেখানে ক্লিক করুন, তারপর দেখুন উইন্ডোজ আপডেট লেখা আছে
সেখানে ক্লিক করুন।
এবং চেক ফর আপডেট ক্লিক করলে নতুন করে আপডেট ইন্সটল হতে শুরু করবে। আপনি যদি
ট্রাবল শুটার চালান। তাহলে প্রথমে সেটিংস, তারপর আপডেট এন্ড সিকিউরিটি,ট্রাবল
শুট এ গিয়ে নেটওয়ার্ক এন্ড এডাপ্টার এ গিয়ে ট্রাবল শুটারটি রান করুন। তাহলে
উইন্ডোজ আপডেট হয়ে যাবে এবং অটোমেটিক সমাধান হয়ে যাবে। এছাড়া আপনি যদি আপনার
কম্পিউটারটিকে রিসেট দিতে চান।
তাহলে সেটিংস এ গিয়ে নেটওয়ার্ক অ্যান্ড ইন্টারনেট এ ক্লিক করুন তারপর
স্ট্যাটাসে ক্লিক করুন এবং সেখানে লেখা আছে নেটওয়ার্ক রিসেট সেখানে ক্লিক করুন
এবং আপনার কম্পিউটারটি রেস্টার্ট দিন। যদি কোন কারণবশত আপডেটের সমস্যা বা আপনার
পরে সমস্যা হয় তবে সেটিংস থেকে হটস্পট একেবারে বন্ধ করে দিন দিয়ে পরবর্তীতে
কিছুক্ষণ পর আবার চালু করুন তাহলে ঠিক হয়ে যাবে।
আরো পরুন:গ্রাফিক্স ডিজাইনের বেসিক ধারণা
ভিপিএন চালু থাকার কারণে হটস্পট বন্ধ
ভিপিএন চালু থাকার কারণে হটস্পট বন্ধ হয়ে যায় এর কারণ খুঁজতে হলে প্রথমে আপনাকে
জানতে হবে ভিপিএন কি? এবং এটি কিভাবে কাজ করে? আমরা আপনাদের সুবিধার্থে ভিপিএন এর
বিস্তারিত বিষয় আর্টিকেলের মাধ্যমে উপস্থাপন করতে যাচ্ছি। ভিপিএন এর কাজ হচ্ছে
আইপি এড্রেস ও লোকেশন কে লুকিয়ে রাখা। এতে সাধারণত আপনার ডিভাইসকে নিরাপদ রাখে,
ভিপিএন নিজ দেশ ব্যতীত অন্য দেশের আইপি অ্যাড্রেস, কনটেন্ট এক্সেস করার জন্য
ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
আপনি চাইলেই খুব সহজেই vpn এর মাধ্যমে আপনার আইপি অ্যাড্রেস লুকাতে পারবেন।
ভিপিএন ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু দিক খেয়াল রাখতে হবে, বিশেষ কোনো কাজের ক্ষেত্রে
পেইড ভিপিএন ব্যবহার করা নিরাপদ হবে। তবে (Proton,Windscribe)ফ্রি ভিপিএন নিরাপদ
বেশি চাইলে আপনি এটা ব্যবহার করে দেখতে পারেন। আপনি যখন একটি তথ্য জন্য সার্চ
করবেন বা তথ্য নিরাপদে রাখতে চান সেক্ষেত্রে আপনি ভিপিএন ব্যবহার করে থাকেন,
আপনার ডাটা আগে ভিপিএন সার্ভার যায় তারপর সেখান থেকে ওয়েবসাইটে পৌঁছায়।
ফলে আপনার আসল আইপি অ্যাড্রেস কেউ কালেক্ট করতে পারবেনা। এজন্যে কোন হ্যাকার
আপনার আই এস পি বা অন্য কেউ আপনার তথ্য দেখতে পারবে না। মূলত এই ধরনের সুবিধার
জন্য ভিপিএন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ভিপিএন ব্যবহারের সুবিধা হল হ্যাকিং থেকে বা
ডাটা চুরি থেকে নিরাপদ কমে যায় ভিপিএন আপনার পরিচয় গোপন ভাবে রাখে আপনার
ওয়েবসাইট বা কোন অ্যাপস যদি ব্লক থাকে তাহলে ভিপিএন দিয়ে ব্যবহার করা যায়।

আরো পরুন:উইন্ডোজ আপডেটের সুবিধা
ভিপিএন ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু অসুবিধা রয়েছে যেমন, ফ্রি ভিপিএন অনেক সময়
ধীরগতি সম্পন্ন হয়। কিছু ফ্রি ভিপিএন আছে যেগুলো আপনার ডাটা বিক্রি করে ফেলতে
পারে তাই বিশ্বস্ত ভিপিএন ব্যবহার করা জরুরী। তবে তবে প্রয়োজন অনুযায়ী পেট
ভিপিএন ব্যবহার করা উচিত এক্ষেত্রে নিরাপদ অনেক বেশি হয় সেটা নির্ভর করে আপনার
কাজের উপরে। বা কি কাজে ব্যবহার করবেন সেটার ওপরে।
উইন্ডোজ ১০ মোবাইল হটস্পট তারের মাধ্যমে সংযোগের নিয়ম
আপনি যদি আপনার পিসিতে যদি উইন্ডোজ ১০ ব্যবহার করে থাকেন তাহলে মোবাইলের দিয়ে
ক্যাবলের মাধ্যমে আপনার পিসির সাথে হটস্পট এর কানেক্ট দিতে চান তাহলে আপনি সঠিক
জায়গায় এসেছেন। আমরা আপনাকে বাংলা আর্টিকেলের মাধ্যমে পিসিতে হটস্পট কানেক্ট
দেয়ার নিয়ম গুলো বলবো, প্রথমে আপনাকে একটা উন্নত বা ভালো ইউএসবি ক্যাবল সিলেক্ট
করতে হবে।
যেটা পিসির সাথে মোবাইলে সংযোগ দিতে হবে তারপরে মোবাইল হটস্পট এ গিয়ে হটস্পট অন
করতে হবে। তারপর লেখা থাকবে নিচে তাকালেই দেখতে পাবেন ইউএসবি থিয়েটারিং লেখা আছে
সেটা অফ থাকবে। সেটা অন করে দিলে অটোমেটিক ভাবে আপনার পিসিতে ওয়াইফাই কানেক্ট
দেখা যাবে। এবং আপনি আপনার অনলাইন কাজগুলো করতে পারবেন বা আপনার পিসিতে ইন্টারনেট
সংযোগ হয়ে যাবে।
থার্ড পার্টি সফটাওয়ারের কারণে হটস্পট বন্ধ হলে করণিয়
একটা পিসিতে থার্ড পার্টি সফটওয়্যার বা অ্যাপস অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়ে
থাকে যেগুলা প্রয়োজন শেষে আমরা অনেকেই আনইন্সটল করতে ভুলে যাই। পরবর্তীকালে
সেগুলো দেখা যায় কম্পিউটারের প্রতি প্রভাব ফেলে, ফলে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ অনেক
স্লো কাজ করা শুরু করে। আপনি যদি চান তাহলে খুব সহজেই এই সকল অ্যাপস বা
সফটওয়্যার আনইন্সটল করে দিতে পারেন।
আমরা আপনাদের সহজ ভাবে বুঝানোর জন্য কিছু পদ্ধতি বলছি, প্রথমে স্টার্ট বাটনে
ক্লিক করবেন, তারপর সেটিংসে যাবেন, তারপর অ্যাপসে ক্লিক করবেন, সর্বপ্রথম
ইন্সটলার অপশন লেখা আছে সেখানে ক্লিক করলে আপনার সকল ইন্সটল করা অ্যাপস দেখা
যাবে। তারপর সবগুলা অ্যাপস এর ডান দিকে থ্রিডট আছে এই থ্রিডট এ ক্লিক করলে
আনইন্সটল অ্যাপ লেখা থাকবে।
সেখানে ক্লিক করলে আপনার অ্যাপ বা সফটওয়্যারটি আনইন্সটল হয়ে যাবে। তারপর আপনার
সবগুলা অ্যাপস আনইন্সটল করার পরে আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপটি রিস্টার্ট দিতে
পারেন। পরবর্তীকালে আপনি দেখতে পারবেন আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ আগের চাইতে
অনেক দ্রুত গতি সম্পন্ন হয়ে গেছে। এবং কম্পিউটার বা ল্যাপটপটি আর স্লো কাজ করছে
না।
উইন্ডোজ ১০ এই কেন এই সমস্যা হয়ে থাকে জানুন
উইন্ডোজ ১০ এ এই সকল সমস্যা হয়ে থাকে তার প্রধান কারণ হলো উইন্ডোজ ১০ পিসি গুলা
সাধারণত হার্ড কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এবং এর কনফিগারেশন হাই হওয়ার
কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভিপিএন ব্যবহার করে কাজ করতে হয় বা গ্রাফিক্স ডিজাইন,
ভিডিও এডিটিং, প্রগ্রামিং এর কাজ করা হয় যার কারণে অতিরিক্ত সফটওয়্যার বা
অ্যাপস ইন্সটল করতে হয়। অনেক এক্সটেনশন নামাতে হয় যার কারণে পিসিতে অনেক চাপ
পড়ে যায় ফলে পিসি অনেকটা স্লো হয়ে যায় অনেক ক্ষেত্রে এর কাজ ধীর গতি সম্পন্ন
হয়ে যায়।
সাধারণত ভিপিএন বিশেষ কোন কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় আর উইন্ডোজ ১০ মোবাইল
হটস্পট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে মূলত এই কারণেই। আপনারা ভালোভাবে খেয়াল করলে দেখবেন
সবকিছুর মূলে একটি কম্পিউটারের কনফিগারেশন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা থাকে।
যখন সেই সীমাবদ্ধতার লিমিট অতিক্রম করা হয় বা কাছাকাছি যাওয়া হয় তখন একটি
কম্পিউটার বা ল্যাপটপ এর ধারণক্ষমতা কমে যায়। আর সেই ক্ষেত্রে মোবাইল হটস্পট
বার বার বন্ধ হয়ে যায়।
আপনারা যারা কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ব্যবহারে নতুন কিছু বিষয় অবশ্যই খেয়াল
রাখবেন। প্রয়োজন ছাড়া কখনো ভিপিএন ব্যবহার করবেন না প্রয়োজন ছাড়া
অপ্রয়োজনীয় কোন অ্যাপস বা সফটওয়্যার ইন্সটল করে রাখবেন নাঅ আপনার কম্পিউটার বা
ল্যাপটপে যে কোন অ্যাপস বা সেটিংস আপডেট চাইলে সাথে সাথে আপডেট দিয়ে রাখবেন।
আপনি যদি পরবর্তীকালে আপডেট দেওয়ার চিন্তাভাবনা করেন সে ক্ষেত্রে ভুলে যেতে
পারে।
পরবর্তীকালে এটি অনেক বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে, আর সেজন্য আপনাকে
প্রতিনিয়ত আপডেট চেক করতে হবে এবং কম্পিউটারের কিছু বেসিক ধারণা রাখার প্রয়োজন
ইউটিউব এর মাধ্যমে ভিডিও দেখতে পারেন। কারণ আপনি যদি বেসিক ধারণা
না জানেন সে ক্ষেত্রে আপনার কম্পিউটার ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। পরবর্তীকালে
আপনি অনেক বড় ধরনের স্ক্যামের শিকার হতে পারেন, এজন্য আপনার প্রতিনিয়ত আপডেট
চেক করা উচিত।
উইন্ডোজ ১০ আপডেট দেওয়ার নিয়ম
উইন্ডোজ ১০ এর আপডেট এর নির্দিষ্ট সময় নিজে নিজেই আসে, একটা বছরে কয়েকবার আপডেট
দিতে হয় তবে ফিউচার আপডেট একবারই দিতে হয়। পিসিতে বা ল্যাপটপে আপডেট দেওয়া
ভালো কারণ একটি কম্পিউটার বা পিসিতে আপডেট দিলে নতুন কনফিগারেশন গুলো বা নতুন
ফিচার গুলো অটোমেটিক ভাবে চলে আসে। আর ছোট আপডেট দেওয়ার কারণ হলো হ্যাকিংএর ঝুকি
কমাতে কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ কমাতে।
পিসি বা ল্যাপটপে আপডেট দিতে হয় কিন্তু ছোট ছোট আপডেট যেমন সিকিউরিটি আপডেট,
সেটিং আপডেট, উইন্ডোজ আপডেট। আপনি যদি আপনার পিসি বা ল্যাপটপে আপডেট না দেন তাহলে
কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে যেমন ভাইরাসের আক্রমণ, হ্যাকিং এর ঝুঁকি বেড়ে যায়,
পিসি অনেক কাজ স্লো হয়ে যায়, নতুন সফটওয়্যার ঠিকঠাক মতো কাজ করে না, ইন্টারনেট
ড্রাইভার সমস্যা দেখা যায়।
ইত্যাদি আরো অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর জন্য আপনাকে কম্পিউটারের বেসিক নলেজ
গুলা আপনার শিখে নিতে হবে। তা না হলে আপনি সঠিকভাবে আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ
ঠিকঠাক মতো ব্যবহার করতে পারবেন না। বা অল্প দিনে আপনার কম্পিউটার বা
ল্যাপটপে অনেক ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে বা অল্প শিখে আপনি যদি কোন
গুরুত্বপূর্ন ডেটা বা ফাইল আপনার পিসিতে রাখেন সে ক্ষেত্রে আপনার জন্য ঝুঁকেপূর্ণ
তা অনেকটা বেড়ে যাবে। যা এরাতে আপনার অবশ্যই কম্পিউটারে অন্ততো বেসিক কাজ গুলা
আপনার শিখে নিতে হবে।
কম্পিউটারের ভূল ব্যবহারে ভাইরাস আক্রমণ ও স্ক্যামের শিকার
আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ যদি উইন্ডোজ ১০ মোবাইল হটস্পট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এর
জন্য আপনি যদি আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ আপডেট না দিয়ে রাখেন। সেই ক্ষেত্রে
আপনার কম্পিউটারের ভুল ব্যবহারে ভাইরাস এর আক্রমণ হতে পারে। ফলে
স্ক্যামের শিকার হয়ে যেতে পারেন, যদি আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপে
গুরুত্বপূর্ণ কোন ফাইল থেকে থাকে সেই ক্ষেত্রে আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ
প্রতিনিয়ত আপডেট দিতে হবে।
আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপের ভাইরাসের আক্রমণ কমাতে আপনার কম্পিউটারের সেটিংস
আপডেট দিয়ে রাখতে হবে যাতে করে দেখা যাবে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ এর কাজ অনেক
ফাস্ট করবে। এবং কাজ করে মজা পাবেন, এর জন্য আপনাকে আপনার কম্পিউটারের বা
ল্যাপটপের সর্বপ্রথম উইন্ডোজ আপডেট দিতে হবে তারপরে আপডেট এন্ড সিকিউরিটি আপডেট
দিতে হবে।
তারপরে আপনার প্রয়োজনীয় অ্যাপস গুলো আপডেট দিতে হবে। আপনার কম্পিউটার বা
ল্যাপটপে যদি কোন ভিপিএন থেকে থাকে তাহলে প্রতিনিয়ত আপডেট দিতে হবে। এবং কিছুদিন
পর পর আপডেট চেক করতে হবে যদি কোন নতুন ফিচার এসে থাকে প্রত্যেকটি মানুষের
কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাধারণত একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপের
যেই বেসিক নলেজ গুলা থাকা দরকার সেগুলো আপনার খুব দ্রুততার সাথে শিখে নিতে
হবে।
এটি নতুনদের ক্ষেত্রে কারণ ইন্টারনেট প্ল্যাটফর্ম যতটা সহজ ততটা কঠিন এখানে টিকে
থাকতে হলে নিজেকে সময়ের সাথে লড়াই করে থাকতে হবে। কেননা এখানে সুবিধা যেমন বেশি
অসুবিধা তেমন রয়েছে যারা নতুন তাদের ক্ষেত্রে ঝুকি পূর্ণতা অনেক বেশি, একটু ভুলের
জন্য অনেক সময় অনেক বড় ধরনের স্ক্যামের শিকার হতে হয় এর জন্য যারা নতুন তারা
খুব দ্রুত কম্পিউটারের যে বেসিক ধারণাগুলো প্রয়োজন সেগুলো
ইউটিউব ভিডিও দেখে শিখে নিতে পারেন।
নেটওয়ার্ক অ্যাডাপ্টারের সমস্যার সমাধান করুন
আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপের ইন্টারনেট সংযোগ ব্যাহত হওয়ার প্রধান কারণ হলো
নেটওয়ার্কের অ্যাডাপ্টার সমস্যা। এটা হওয়ার প্রধান কারণ হলো ড্রাইভার আপডেট এর
অভাব, হার্ডওয়ার এর ত্রুটি বা ভুল কনফিগারেশন ব্যবহার করলে অনেক সময় এই ধরনের
সমস্যা দেখা যায়। নেটওয়ার্ক এডাপ্টার ছাড়াও আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপে কোন
সফটওয়্যার, অ্যাপস বা সেটিং আপডেট দেওয়ার পর নেটওয়ার্ক ঠিকঠাক মতো কাজ করে না
এটি একটি সাধারণ সমস্যা।
এজন্য আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ আপডেট দেওয়ার সময় wifi ব্যবহার না করে সরাসরি
ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করবেন। সেই ক্ষেত্রে আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ দ্রুত
কাজ করবে আর আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপের কনফিগারেশন যদি নরমাল হয় তাহলে আপনি
যতদূর সম্ভব vpn এড়িয়ে চলবেন। কারণ ভিপিএন ব্যবহারে আপনার কম্পিউটার বা
ল্যাপটপের যেমন সুবিধা আছে তেমনি অনেক অসুবিধা রয়েছে। কিছু কিছু বিষয় না জানলেই
নয় সেইসব বিষয় গুলো আপনি ইউটিউব ভিডিও দেখার মাধ্যমে শিখে নিতে পারেন।
হাই কনফিগারেশন এর vpn আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপে অনেকটা স্লো কাজ করতে হতে
পারে। আর এই সকল কিছু ফ্রি ভিপিএন আছে যেগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে আপনার
কম্পিউটারে বা ল্যাপটপে ভাইরাসের আক্রমণ হতে পারে। যার কারণে পূর্বের ডেটা গুলো
আপনার কম্পিউটারে রাখা ও নিরাপদ হয়ে যায়। বিশেষ করে এই সমস্যাগুলো নতুনদের
ক্ষেত্রে বেশি হয়ে থাকে বা যারা বেসিক কম্পিউটার না শিখেই কম্পিউটার বা ল্যাপটপে
অনেক গুরুত্বপূর্ণ ডেটা বা ফাইল রাখে।
ফলে খুব সহজেই স্ক্যামের শিকার হয়, এজন্য প্রতিনিয়ত আপনার কম্পিউটার বা
ল্যাপটপের আপডেট চেক করতে হবে। আপডেট চাইলে আপডেট দিতে হবে, সেই ক্ষেত্রে এই সকল
ঝুঁকি সম্ভাবনা খুবই কম আর কম্পিউটার বা ল্যাপটপে উইন্ডোজ ১০ মোবাইল হটস্পট বন্ধ
হয়ে যাচ্ছে এই সমস্যাটির সমাধান দ্রুততার সাথে হয়। আপনি যদি ইউএসবি ক্যাবলের
মাধ্যমে আপনার পিসি এর সাথে মোবাইল সংযোগ দেন তাহলে।
আরো পরুন: কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ব্যবহারের সঠিক নিয়ম
নেটওয়ার্ক অ্যাডপ্টারের সমস্যা একটি ছোট সমস্যা কিন্তু যারা কম্পিউটার বা ল্যাপটপ
ব্যবহারে নতুন তাদের কাছে সহজ বিষয়টাও অনেক কঠিন মনে হয়। আর তাই আপনাদের
সুভিধার্থে সমস্যাটির সমাধান বাংলা আপনাদের মাঝ উপস্থাপন করেছি। আপনারা আমাদের
আর্টিকেলেটি সম্পূর্ণটা যদি ভালো ভাবে পরেন তাহলে উপরের সমস্যাটির সমাধান খুব
সহজেই করতে পারবেন।
মন্তব্য: উইন্ডোজ ১০ মোবাইল হটস্পট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে
আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে উইন্ডোজ ১০ মোবাইল হটস্পট
বন্ধ হয়ে যাচ্ছে জন্য আমরা আপনাদের কথা চিন্তা করে যাতে আপনার খুব সহজেই আপনার এই
সমস্যাটির সমধান করতে পারেন। তাই আমরা আপনাদের কে আর্টিকেলের মাধ্যমে মোবাইলের
হটস্পট বন্ধ হওয়া সমস্যাটির সমাধান নিয়ে এসেছি। আপনার যদি কম্পিউটার
সম্পর্কে বেসিক ধারণা না থাকে সেই ক্ষেত্রে আপনার সহজ জিনিস ও অনেক কঠিন মনে হবে
এটাই স্বাভাবিক।তাই আপনার কম্পিউটারের বেসিক ধারণা গুলো ইউটিউব দেখে বা কোনো
কোর্স এর মাধ্যমে শিখে নিতে হবে।
অনেকের অনেক ছোট ছোট বিষয় বুঝতে অসুবিধা হবে যার কারণে আমরা আপনাদের কথা চিন্তা
করে উইন্ডোজ ১০ মোবাইল হটস্পট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এর সমাধান আশা করি আপনাদের
মাধ্যমে সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পেরেছি ।আপনারা এখন খুব সহজেই সমস্যাটির সমাধান
নিজে নিজেই করতে পারবেন যদি আপনারা আমাদের আর্টিকেলটি পরিপূর্ণভাবে পড়েন।

ছায়ানীড় ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url